কাতানে আভিজাত্য
জ্যাকার্ড হ্যান্ডলুমে টানা ভরনায় দেওয়া আছে রেশম সুতো আর তাঁতির বুননের সাথে সাথে জমিনে ভেসে উঠছে বেনারসি মোটিফের লতা, ফুল, কলকা ইত্যাদি। এরই নাম কাতান শাড়ি�- এভাবেই কাতান শাড়ি সম্পর্কে বললেন এমদাদ হক। বেনারসির আরেকটি ধরন কাতান শাড়ি।
অনেকদিন আগে বিয়ে বাড়ি বা রাষ্ট্রীয় কোনো বড় উৎসবে মহিলারা ব্যবহার করত কাতান শাড়ি। হালকা কাজের দেশি কাতানের ছিল ব্যাপক চাহিদা। মাঝখানে অনেকটা সময় কাতান এধরনের অনুষ্ঠান আয়োজনের বাইরে থাকলেও একদমই বিলুপ্ত হয়ে যায়নি। কেউ না কেউ নিয়মিতই ব্যবহার করেছে এধরনের শাড়ি।
আর একারনেই মিরপুর বেনারসি পল্লীর বেনারসি কারিগর এবং ব্যবসায়ীরা নিত্য তৈরি করে চলেছে নতুন নতুন ডিজাইন এবং বাহারি রঙের কাতান বেনারসি শাড়ি। এই ধরনের শাড়ির ইতিহাস ভারতের উত্তর প্রদেশের বেনারস থেকে হলেও এখন সময়ের সাথে সাথে পুরনো ডিজাইনকেই নানা ভাবে কাটছাট করে তাঁতি কারিগররা তৈরি করছে চমৎকার সব কাতান শাড়ি।
কাতান কিনুন যাচাই করে
====================
একটা দামি শাড়ি কিনতে গেলে তো বাছাই করা জরুরি। নয় কি? তাই জেনে নেওয়া দরকার কি দেখে কাতান শাড়ি কিনতে হবে। এমদাদ হক বললেন কাতান শাড়ি কিনতে বেশ কিছু বিষয়ে নিশ্চিত হয়ে তবেই শাড়ি কেনা উচিৎ।
১. প্রথমেই বেছে ফেলুন পছন্দের কয়েকটি রঙ।
২. কাতান শাড়ি কিনতে যাবেন অবশ্যই দিনের আলো থাকতে থাকতে। আর শাড়ি পছন্দ হলে দোকানের বাইরে এনে তবে আসল রঙটি সম্পর্কে নিশ্চিত হয়ে নিন। রাতে গেলে ইলেক্ট্রিক বাতি ঠিক রঙটি পছন্দ করতে সাহায্য নাও করতে পারে।
৩. শাড়ির রঙ পছন্দ হয়ে গেলে এবার শাড়ির কোনা থেকে অল্প একটু সুতো ছিড়ে নিয়ে পুড়িয়ে দেখুন তা ছাই হয়ে যাচ্ছে নাকি গুটলি পেকে যাচ্ছে। ছাই হলে বুঝবেন আপনি ভালো জিনিষটিই কিনছেন। আর যদি গুটলি পেকে যায় তাহলে বুঝবেন এটাতে নাইলনের মিশ্রন রয়েছে।
৪. ওজনটা কেমন দেখে নিন। ফুল সিল্ক শাড়ি হলে ওজনে হালকা হবে কাতানটি। আর কাজ যকই হোক না কেন জরির ওজন হালকা হয়ে যাবে যদি জরি ভালো হয়। জরিটা ভালো কিনা এটা যাচাই করবার জন্য দেখুন শাড়ি যেখানে ভাজ হয়ে থাকে সেখানে জরির রঙ সাদা হয়ে গেছে নাকি সোনালিই আছে । সাদা হয়ে গেলে তৎনাত বাদ দিয়ে দিন শাড়িটি। কারন ওটা রোলেক্সের জরি।
৫. অবশ্যই ভালো কোনো দোকানে যেতে হবে এবং দোকানিকে আগেই বলুন আপনারন বাজেট। তাহলে সেও আপনা ভালো পছন্দসই শাড়িবেছেনিতেসাহায্যকরবে।
Friday, August 28, 2009
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
No comments:
Post a Comment